লাশ পোড়ানো ও ঈদে মিলাদুন্নবী জুলুসে হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী যুবসেনার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
নৃশংসভাবে লাশ পোঁড়ানো ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) জুলুসে হামলাকারীর কখনও প্রকৃত মৃসলমান হতে পারেনা।
-বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা
সারাদেশে বিভিন্ন মাজারে পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) আগত নবী প্রেমিক জনতার গাড়ীবহরে হাটহাজারীতে বর্বর নজদী উগ্রধর্মান্ধ সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা ঢাকা মহানগর।
আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাফেজ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট’র দপ্তর সচিব মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম বলেন, মাদারীপুরে নুলা পাগলাকে কবর থেকে তুলে নৃশংসভাবে জনস্মুখে উল্লাস করে লাশ পোড়ানোর ঘটনা মধ্যযুগের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। তৌহিদী জনতার নামে যারা এ কাজ করেছে তারা কখনও প্রকৃত মুসলমান হতে পারেনা। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এমন কর্মকান্ড সারা বিশ্ব হতবাক। পাশাপাশি সারাদেশে ১৫০০তম পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন করতেছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ। অন্যদিকে একদল উগ্রবাদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠি ঈদ-এ মিলাদুন্নবি (দ.)এর জুলুসে আগত মুসলমানদের উপর হাটহাজারিতে গরমপানি নিক্ষেপ, গাড়ী ভাংচুর ও হামলা করে ৫০ জনের অধিক আহত করেছে। পূর্বপরিকল্পিত ভাবে হাটহাজারি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ইট, রড, লাঠি নিয়ে জুলুসের গাড়ীতে হামলা করার অসংখ্য ভিডিও ফুটেজ অনলাইনে রয়েছে। গতবছরেও জশনে জলুসের গাড়ীতে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে হামলা করা হয়। সুতরাং লাশ পোড়ানো আর ঈদে মিলাদুন্নবী প্রিয় মুসলমান কিংবা অনুষ্ঠানে হামলা একই সূত্রে গাঁথা বলে মনে করি।
লাশ পোড়ানো ও ঈদে মিলাদুন্নবী জুলুসে হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী যুবসেনার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ , প্রধান বক্তা বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি ক্যান্সার গবেষক অধ্যক্ষ ডা: এস এম সরওয়ার বলেন, কওমী ঘরনার বক্তারা জশনে জুলুসে হামলার জন্য বিগত কয়েকদিন যাবত ঘোষণা দিয়ে আসছে, বি-বাড়িয়াতে লাঠি মিছিলও পরিলক্ষিত হয়। তাই আমরা মনে করি এটি একটি পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা। তাই আমরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার আলম জালালী, মিজানুর রহমান, শাফায়াত উল্লাহ, মুফতি জাহিদুর রহমান প্রমুখ। শেষে একটি বিশাল মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে এসে শেষ হয়।