প্রথম বসন্ত

আজ  শুক্রবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি ,২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ 

আজ  শুক্রবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি ,২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ 

Click Here

পাচারকৃত অর্থের কিছু অংশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব : অর্থ উপদেষ্টা

পাচারকৃত অর্থের কিছু অংশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব : অর্থ উপদেষ্টা

বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, পাচারকৃত অর্থের একটি অংশ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিদেশের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পাচারকৃত অর্থের কিছু অংশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব : অর্থ উপদেষ্টা

 পাচারকৃত অর্থের কিছু অংশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব : অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ পাচার একটি জটিল সমস্যা, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া আইনি ও কূটনৈতিকভাবে জটিল হলেও, সরকারের উদ্যোগে এই বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যা এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।

তবে, এই প্রক্রিয়ায় নৈতিকতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার সুযোগ আইনগতভাবে বৈধ হলেও নৈতিকভাবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাচারকারীরা চুরি করা টাকা ফেরত আনার জন্য পাচার করেনি, তাই পাচারকৃত অর্থের খুব সামান্যই দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে।

অর্থ পাচার রোধে রাষ্ট্রকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যে দেশে অর্থ পাচার করা হয়েছে সেই দেশের সঙ্গে আইনি চুক্তি ও সমঝোতার মাধ্যমে ফেরত আনার পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজনৈতিক, আমলাতান্ত্রিক ও ব্যবসায়িক সংস্কৃতি পরিবর্তন না হলে অর্থ পাচার ও দুর্নীতি বন্ধ হবে না।

পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া জটিল হলেও, সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে টাস্কফোর্স গঠন, বিদেশের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতা এবং নৈতিকতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সরকার এই বিষয়ে কাজ করছে। তবে, এই প্রক্রিয়ায় সাফল্য অর্জন করতে হলে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতা প্রয়োজন।

অর্থ পাচার রোধে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগণেরও ভূমিকা রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন এবং আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা এই সমস্যার সমাধানে অবদান রাখতে পারি। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।

সর্বোপরি, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া জটিল হলেও, সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও উদ্যোগের মাধ্যমে এটি সম্ভব। আমাদের সবার উচিত এই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা এবং অর্থ পাচার রোধে সচেতন থাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *