প্রথম বসন্ত

আজ  শুক্রবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি ,২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ 

আজ  শুক্রবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি ,২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ 

Click Here

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুদের বিপর্যয়: মানবিক সংকট ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুদের বিপর্যয়: মানবিক সংকট ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান হামলায় শিশুদের বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শিশুবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার পর এক সপ্তাহে ২৭০ জনেরও বেশি শিশু নিহত হয়েছে।

শিশুদের উপর প্রভাব

সেভ দ্য চিলড্রেনের গাজা কার্যক্রমের মানবিক সহায়তা পরিচা  মানবিক সহায়তা প লক রাচেল কামিংস এই পরিস্থিতিকে ‘মৃত্যুদণ্ডের সমান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, বোমা পড়ছে, হাসপাতাল ধ্বংস হচ্ছে, শিশুরা মারা যাচ্ছে—এবং বিশ্ব নীরব।

মোট নিহতের সংখ্যা

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুদের বিপর্যয়: মানবিক সংকট ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াগাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে মোট নিহতের সংখ্যা ৫০,১৪৪-এ পৌঁছেছে, যাদের মধ্যে ১৭,৯০০ শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১,১৩,৭০৪ জন।

মানবিক সংকট

গাজায় খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা তীব্র আকার ধারণ করেছে, যেখানে ৯০% এরও বেশি জনগণ খাদ্য সংকটে ভুগছে। স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং বেশিরভাগ হাসপাতাল জ্বালানি ও ওষুধের অভাবে কার্যক্রম চালাতে পারছে না।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস গাজায় ‘মানবিক বিপর্যয়’ চলছে বলে মন্তব্য করেছেন এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। তবে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।

গাজায় শিশুদের বিপুল প্রাণহানি এবং মানবিক সংকট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি পদক্ষেপের দাবি করছে। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ; তাদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আশা করা যায়, আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে গাজায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে, এবং শিশুদের ভবিষ্যত রক্ষিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *