প্রথম বসন্ত

আজ  শুক্রবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি ,২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ 

আজ  শুক্রবার ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি ,২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ 

Click Here

আপেল-আঙুর-কমলা আমদানিতে শুল্ক কমলো

আপেল-আঙুর-কমলা আমদানিতে শুল্ক কমলো

বাংলাদেশে আপেল, কমলা ও আঙুরের মতো তাজা ফলের আমদানি শুল্ক ও কর কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও উচ্চ শুল্ক-করের কারণে এই ফলগুলোর দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েছে। ট্যারিফ কমিশনের মতে, ৮৬ টাকার ফল আমদানি করতে বর্তমানে ১২০ টাকা কর দিতে হয়।

বর্তমান শুল্ক-করের হার:

  • আমদানি শুল্ক: ২৫%
  • নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক: ২০%
  • সম্পূরক শুল্ক: ৩০%
  • অগ্রিম কর: ১০%
  • ভ্যাট: ১৫%
  • অগ্রিম ভ্যাট: ৫%

সব মিলিয়ে, ১০০ টাকার ফলে ১৩৬ টাকা শুল্ক-কর দিতে হয়।

ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ:

  • সম্পূরক শুল্ক: ৩০% থেকে কমিয়ে ২০% করা
  • অগ্রিম কর: ১০% থেকে কমিয়ে ২% করা
  • নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক: যৌক্তিক হারে পুনর্বিবেচনা করা

ট্যারিফ কমিশন মনে করে, এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে ফলের দাম কমবে এবং ভোক্তাদের ওপর চাপ হ্রাস পাবে।

আমদানির বর্তমান অবস্থা:

উচ্চ শুল্ক-করের কারণে তাজা ফলের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আপেল আমদানি ৫১%, মাল্টা ৭০% এবং আঙুর ২৯% কমেছে। সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির পর জানুয়ারিতে মেন্ডারিন আমদানি ৫১%, আঙুর ২১%, আপেল ৩.৫%, নাশপাতি ৪৫% এবং আনার ও ড্রাগন ফলের আমদানি ৩২% কমেছে।

ভোক্তাদের ওপর প্রভাব:

উচ্চ শুল্ক-করের কারণে ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। ফল আমদানিকারক সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম জানান, ফল এখন আর বিলাস পণ্য নয়; এটি রোগীর পথ্য ও পুষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফলের ওপর শুল্ক-কর কমানো উচিত।

আপেল, কমলা ও আঙুরের মতো তাজা ফলের ওপর শুল্ক-কর কমানোর সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে আমদানি বৃদ্ধি পাবে, বাজারে ফলের দাম কমবে এবং ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ হ্রাস পাবে। এতে পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা হবে এবং রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *